Google Search এর প্রথম পাতায় ওয়েবসাইটকে প্রদর্শন করার উপায়

Google Search এ প্রতিযোগিতার লড়াই করে আপনাকে সামনে অগ্রসর হতে হবে। তাছাড়া সফলতা পাবার কোন বিকল্প রাস্তা নেই । শিক্ষার্থী অবস্থায় একটি ব্লগ সাইট তৈরী করে আয় করার পরিকল্পনা করলেন। আপনার খরচ চালিয়ে বাড়িতেও কিছু সহযোগিতা করবেন এই আশায়। সবকিছু ঠিক করে সাইট তৈরি করলেন। কিন্ত আপনার সাইটে যথাযথ ভিজিটর না পাওয়ায় আয় করতে পারলেন না। সকল আশা-ভরসা পন্ড হয়ে গেল। হতাশ হয়ে সবকিছু ছেড়ে দিলেন। না এটা কখনই করবেন না। কেন আপনার সাইটে ভিজিটর পাচ্ছেন না সেই বিষয়ে মনোযোগ দিন। অন্যরা ভিজিটর পেলে আপনি পাবেন না কেন? এই প্রশ্ন নিজেকে করুন।

 

সাইটে ভিজিটর না পাওয়ার মূল করাণগুলো খুঝে বের করুন। কেন আপনার সাইটে ভিজিটর হচ্ছে না। সাধারণত কিওয়ার্ড রিসার্স এবং সাইট এসইও ভালভাবে করা না হলে সাইটে ভিজিটর পাওয়া অনেক কঠিন হয়ে পড়ে।আমরা ইতিমধ্যেই এই সম্পর্কে আর্টিকেল প্রকাশ করেছি। আর্টিকেলগুলো হচ্ছে-

Website SEO কি? কেন SEO করবেন? কিভাবে SEO করবেন?

কীওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে করবো বা Keyword Research কি?

WordPress SEO এর সকল কৌশলসমূহ

 

SEO করার ক্ষেত্রে হোয়াইট হেট ও ব্ল্যাক হেট পদ্ধতি কি?

হোয়াইট হ্যাট এস ই ও হলো, যে পদ্ধতিতে গুগল (Google Search) এর সকল নীতিমালা মেনে সম্পূর্ণ বৈধভাবে একটি সাইটকে প্রথম পেইজে নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা করা হয়। সাধারণত এস ই ও বলতে হোয়াইট হ্যাট এস ই ও কেই বোঝানো হয়। হোয়াইট হ্যাট এস ই ও অনেক কষ্টকর হলেও এটি ঝুঁকিমুক্ত পদ্ধতি এবং ব্লগিং এর জন্য অত্যাধিক লাভজন। এর ঠিক বিপরীত হচ্ছে ব্ল্যাক হ্যাট এস ই ও। সহজ বাংলায় এটি হলো চুরি বা প্রতারণা। যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন মানুষ নয়, তাই এর সাথে বিভিন্নভাবে প্রতারণা করার সুযোগ থাকে। এই প্রতারণা পদ্ধতিগুলোর মধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো স্প্যামিং করা। স্প্যামিং করে খুব সহজেই একটি সাইটকে গুগোল সার্চের (Google Search) প্রথম পাতায় নিয়ে আসা যায়। কিন্তু, যদি একবার সেই কৌশল গুগল এর কাছে ধরা পরে, তাহলে গুগোল তাকে কালো তালিকায় (Black List) ফেলে দেয়। ওই সাইটকে গুগল তার ইনডেক্স থেকে ডিলিট করে দেয়। যে সাইট একবার গুগোল এর কালো তালিকায় পড়ে যায়, তার পতন নিশ্চিত।

 

আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে কিভাবে গুগল সার্চ (Google Search) রেজাল্টের প্রথম পাতায় ওয়েবসাইটকে প্রদর্শন করানো যায়। বর্তমানে ইন্টারনেটে ৯০% এর বেশী লোক গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে ইন্টারনেটে কোন কিছু খোজ করে। ওয়েবপেইজকে যথাযথভাবে এসইও করে গুগল সার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতায় পোষ্ট শো করাতে পারলে সার্চ ইঞ্জিন হতে পর্যাপ্ত ভিজিটর পেয়ে পেইজের ভাল র‌্যাংকিং করানোসহ সাইট থেকে ভালমানের আয় করা সম্ভব হয়। সাইটের ভিজিটর পেতে এটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ।

 

ব্লগার কিংবা ওয়েবমাষ্টার যতক্ষন পর্যন্ত আপনার সাইটের পোষ্টগুলি গুগল সার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতায় শো করাতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত সাইটে পর্যাপ্ত অর্গানিক ট্রাফিক পাওয়া সম্ভব হবে না। অনলাইন মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে অর্গানিক ট্রাফিক ছাড়া কোন ভাবে সফলতার ধারপ্রান্তে পৌছা সম্ভব নয়। গুগল সার্চ ইঞ্জিনকে যথাযথভাবে অপটিমাইজ করতে পারলে কেবলমাত্র সার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতায় অবস্থান করা সম্ভব হয়। যখন একটি সাইটের বেশীরভাগ পোষ্ট সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় শো করে তখন ঐ সাইটের ভিজিটর দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেতে থাকে।

 

Google Search এর প্রথম পাতায় ওয়েবসাইটকে প্রদর্শন করাতে যে বিষয়গুলোর উপর গুরুত্ব দিতে হবে তা নিম্নে আলোচনা করা হলো।

 

 

Google search Local Keyword – স্থানীয় কীওয়ার্ড খুজাঃ

 

আপনার Website যদি বাংলায় হয়ে থাকে কিংবা যে কোন নির্দিষ্ট দেশ বা স্থানীয় বিষয়ে আর্টিকেল শেয়ার করে থাকেন তাহলে আপনাকে ঐ দেশ ও এলাকার লোকজন কী ধরনের কীওয়ার্ড ব্যবহারে করে ইন্টারনেটে সার্চ করে সে বিষয়টি খুজে বের করে নেওয়াকে কিওয়ার্ড রিসার্চ বলা হয়। গুগল বর্তমানে Local বিষয় নিয়ে লিখা ওয়েবসাইটগুলিকে সহজে সনাক্ত করে সার্চ রেজাল্ট প্রদর্শন করে থাকে।

 

আপনি যদি (Local) স্থানীয় কীওয়ার্ড অপটিমাইজ না করে সাইটে পোস্ট শেয়ার করেন তাহলে গুগল এই পোষ্ট কোন দেশে বেশী গুরুত্ব দেবে সেটা বুঝতে না পেরে সারা বিশ্বব্যাপী প্রদর্শন করতে গিয়ে আপনার টার্গেটেড দেশ বা স্থানটি বাদ পড়ে যাবে। এ জন্য গুগল ওয়েমাষ্টার টুলস এ আপনার সাইটটির টার্গেটেড দেশ সিলেক্ট করে দিয়ে SEO করতে হবে। তাহলে সেই দেশের লোকজন যখন সার্চ করবে তখন গুগল আপনার পোস্টটি সেই দেশের সার্চের ক্ষেত্রে অধিক গুরুত্ব দেবে।

 

স্থানীয় সার্চের ক্ষেত্রে আরো কিছু বিষয় যুক্ত করে নিলে গুগল আপনার সাইটটির লোকেশন সহজে সনাক্ত করতে পারবে। গুগল ম্যাপ এ আপনার Website এর Url, নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার যুক্ত করার মাধ্যমে আপনার সাইটের অবস্থান সম্পর্কে গুগলকে জানিয়ে দিতে পারেন। গুগল ম্যাপে যুক্ত করা ঠিকানাটা Google My Business হতে ভেরিফাই করে নিলে লোকাল সার্চের ক্ষেত্রে আরো অনেক সুবিধা পাওয়া যায়।

 

International Blog/Website – আন্তর্জাতিক ব্লগ/ওয়েবসাইটের কাঠামো

আপনি যদি সমগ্র বিশ্বকে টার্গেট করে পোস্ট শেয়ার করেন তাহলে ওয়েবসাইট সম্পর্কে ভিজিটর ও সার্চ ইঞ্জিনকে পরিষ্কার ধারনা দেওয়ার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেজ রাখতে হবে। এই পেজগুলি না থাকলে আপনার ব্লগের গুরুত্ব সার্চ ইঞ্জিনের কাছে অনেক কম হবে। তবে যারা লোকাল বা বাংলা ভাষায় ব্লগিং করেন তাদের ক্ষেত্রে এই পেজগুলি না থাকলেও কোন সমস্যা হয় না। তবে পেজগুলি রাখলে এসইওর জন্য ভালো হয়। পেইজগুলো হচ্ছে- About Us, Contact Us, Privacy Policy, Term and Conditions, Sitemap ইত্যাদি।

 

  • About Us: সাইটের অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পেজ এটি। এই পেইজটিতে আপনার ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগ সম্পর্কে বিস্তারিত পরিষ্কারভাবে তুলে ধরবেন।

 

  • Contact Us: ভিজিটর যাথে আপনাদের সাথে যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ রাখতে পারে সে জন্য একটি যোগাযোগ ফরম রাখবেন। এটি আপনার আপনার সাইটের পাঠকদের সাথে কমিউনিকেশন তৈরি করবে।

 

  • Privacy Policy: আপনাদের ব্লগের গোপনীয় নীতি মেনে কিভাবে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতঃ সেটা কাজে লাগান বা ব্যবহার করেন সে বিষয়ে ব্যবহারকারীকে পরিস্কার করবেন।

 

  • Term and Conditions: অনেক ব্লগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে শর্ত আরূপ করা হয়ে থাকে। আপনার ব্লগের এ রকম কিছু থাকলে সেটি এই পেইজটিতে উল্লেখ করে দিবেন।

 

  • Sitemap: একটি ওয়েবসাইটের পূর্ণাঙ্গ ধারনা সংক্ষেপে তুলে ধরার জন্য সাইটম্যাপ পেইজ তৈরি করা হয়। এটি আপনার ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে সংক্ষেপে উপস্থাপন করে সাইট/ব্লগ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারনা দেবে।

 

উপরের পেজগুলি নুতনদের কাছে সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় বা গুরুত্বহীন মনে হতে পারে। কিন্তু যখন সাইটের পরিচিতি অনেকগুণ বৃদ্ধি পাবে তখন তারাএই পেজগুলির অভাব অনুধাবন করতে সক্ষম হবে। কাজেই যে কোন ধরনের ব্লগিং এর ক্ষেত্রে সাইট তৈরির প্রথম পর্যায়ে পেজগুলি রেখে দেওয়া উচিৎ।

 

Qualified Web/Blog Making – মান সম্পন্ন ব্লগ/ওয়েবসাইট তৈরিঃ

 

মান সম্মত বলতে সাইটের সার্বিক অনেক বিষয়কে বুঝানো হয়। একটি ব্লগ শুরু করার পর ব্লগের গঠন আকর্ষণীয় রাখার পাশাপাশি আরো অনেক বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিতে হয়। মানসম্মত ব্লগের প্রথমিক কয়েকটি বিষয় হচ্ছে- Original Content, Site Navigation, Breadcrumbs, Search Box, Responsive Design, AMP Optimization, Optimize for Mobile, Schema Markup Use, High Quality Image ইত্যাদি। নিচে এগুলোর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

 

Original Content: সাইটে ট্রাফিক পাওয়ার ক্ষেত্রে হাই কোয়ালিটি Original Content প্রয়োজন । কেননা ভালমানের কনটেন্ট এর বিকল্প কিছুই নেই। আপনার সাইটে যত ভালমানের ইউনিক কনটেন্ট শেয়ার করবেন সার্চ ইঞ্জিন তত বেশী আপনার সাইটকে অনুকুলে রাখবে। বিশেষ করে গুগল সার্চ ইঞ্জিনের কাছে ইউনিক কনটেন্ট এর মূল্য এতটাই বেশী যে, বর্ণনা করে কোনভাবে শেষ করা সম্ভব নয়।

 

হাই কোয়ালিটি কনটেন্ট ছাড়া SEO করে কোন ফলাফল পাওয়া যায় না। অরিজিনাল কনটেন্ট ছাড়া সাইটে কোনভাবেই সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক পাওয়া যাবে না। এজন্য কনটেন্টকে সাইটের এসইও মেরুদন্ড বলা হয়।

 

Navigation: ওয়েবসাইটের ডিজাইন সুন্দর রাখার পাশাপাশি সাইটের নেভিগেশন সুন্দর জায়গায় রাখতে হবে। ভিজিটরের দৃষ্টি সহজে আকর্ষণ করে এমন জায়গায় সাইটের নেভিগেশন মেনু রাখতে হবে।কেননা আকষর্ণ করে না এমন জায়গায় নেভিগেশন রাখলে পাঠক আপনার সাইট ভিজিট করে বেশীক্ষণ না থেকে বেড়িয়ে যাবে। এতে সাইটের বাউন্স রেট বৃদ্দি পাবে।

 

Breadcrumbs: এই টুলের মাধ্যমে (Google Search) সার্চ ইঞ্জিন ও ভিজিটর উভয়ে আপনার সাইট পোষ্টের ক্যাটাগরি এবং লোকেশন সহ আরো অনেক বিষয়ে স্বচ্ছ ধারনা নিতে পারবে। বিশেষ করে এই Breadcrumbs লিংকগুলির মাধ্যমে এক ধরনের Internal Backlinks তৈরির সুবিধা সাইটের জন্য সহজ করে দেয়।

 

Search Box: যে সাইটে সার্চ বক্স থাকে না সেই সাইট ভিজিটরের কাছে গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে। একটি সুন্দর ও স্বচ্ছ সার্চ বক্স এমন জায়গাতে রাখবেন যাতে খুব সহজেই ভিজিটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

 

Responsive Design: Responsive Web Designs বর্তমান সময়ে একটি প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইন বলতে Responsive Web Designs কে বুঝানো হয়। একটা সময় ছিল যখন কোন ব্লগ/ওয়েবসাইট Responsive করা ছিল না, কিন্তু সমপ্রতিক সময়ে সকলেই তাদের সাইটকে  Responsive Designs আকারে গঠন করেছেন। টপ লেভেলের ব্লগ ডিজাইনাররা বিভিন্ন ছোট বড় ডিভাইসের উপযোগী করার জন্য তাদের ব্লগগুলি Responsive করে ডিজাইন করে নিয়েছেন।যে কোন Responsive সাইটের স্পীড অন্যান্য নরমাল সাইটের চাইতে অনেকগুন বেশী হয়। রেন্সপন্স ডিজাইন করা সাইটের সব চাইতে বড় সুবিধা হলো, এ ধরনের সাইটের কনটেন্ট জুম না করে পরিষ্কারভাবে পড়া যায়। আপনার সাইট যদি এখনো Responsive না করা হয় বা না করে থাকেন তাহলে ধরে নেন আপনার অজান্তে ছোট ডিভাইসের ভিজিটরদের হারাচ্ছেন। তাছাড়া গুগল অনেক আগেই সবার ব্লগ সাইটকে Responsive করার জন্য হাই রিকমেন্ট করেছে।

 

Optimize for Mobile: Responsive Web Designs এর পর সাইটকে মোবাইল অপটিমাইজ করার বিষয়টি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাইট Responsive Designs করা থাকলে এর কনটেন্টগুলো সকল ধরনের ডিভাইসের সাথে সমাঞ্জস্য রেখে পরিষ্কারভাবে দেখানো হয়। আর মোবাইল অপটিমাইজ করার পর ছোট ছোট মোবাইলগুলি ওয়েবসাইটকে দ্রুত লোড নিতে সক্ষম করে তোলে। যারা গুগল ব্লগার দিয়ে ব্লগিং করেন তারা ব্লগের বিভিন্ন Conditional Tags ব্যবহার করে ব্লগকে পরিপূর্ণ মোবাইল অপটিমাইজ করে নিতে পারেন। বর্তমানে গুগল সার্চ ইঞ্জিন মোবাইল সার্চ এর জন্য আলাদা গুগল মোবাইল বট রয়েছে। গুগল মোবাইল বট ওয়েবসাইট মোবাইল উপযোগী কি না তা যাচাই বাছাই করার পর কেবল গুগল মোবাইল সার্চ রেজাল্টে প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নেয়।

 

ওয়েবসাইটকে AMP অপটিমাইজেশন করাঃ

AMP HTML হলো গুগল কোম্পানি সমর্থিত একটি Open Source Project, যা একটি ওয়েবসাইটের Content-কে যে কোন ধরনের মোবাইল ডিভাইসে দ্রুত লোড নিতে সহযোগিতা করে। অন্যভাবে বলতে গেলে, একটি মোবাইল ডিভাইসের মধ্যে AMP যে কোন ওয়েবসাইটকে একটি দ্রুতগামী বুলেটের মত লোড নিতে সক্ষম করে তোলে। বর্তমানে গুগল সার্চ ইঞ্জিন মোবাইল র‌্যাংকিং এর ক্ষেত্রে AMP কে খুব গুরুত্ব সহকারে দেখছে। তবে এই সুবিধা নেওয়ার জন্য আপনার ব্লগে শুধুমাত্র Google AdSense ব্যতীত প্রায় সকল ধরনের বিজ্ঞাপন,সহ Third Party Scripts ব্যবহার পরিহার করতে হবে।

 

সাইট/ব্লগে Schema Markup ব্যবহার করাঃ

 

Schema Markup হলো এক ধরনের (Semantic Vocabulary) কোড, যা সার্চ ইঞ্জিনের আকর্ষন বৃদ্ধি করার জন্য ব্লগ ও ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা হয়। এ গুলি সাধারণত HTML ও Scripts আকারে হয়ে থাকে। এই Schema Markup ট্যাগগুলি ব্যবহার করে আপনার ব্লগের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে সার্চ ইঞ্জিনদের সহজভাবে পরিষ্কার ধারনা দিতে পারেন। এতে আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় আসার সম্ভাবনা আরও অনেকগুন বেড়ে যাবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আমাদের সাইটের অন্য পোস্ট ফলো করুন।

 

ওয়েবসাইটে ভালমানের Image ব্যবহার করাঃ

 

গুগল সার্চ ইঞ্জিনে Image Search নামে একটি ফিচার রয়েছে। সেখানে সার্চ করলে যে কোন ধরনের ছবি মুহুর্তে চোখের সামনে হাজির হয়। আপনি যদি আপনার সাইটে ভালমানের সুন্দর ছবি আপলোড করে ছবিতে Alta Tag ব্যবহার করে Image সার্চে আনতে পারেন, তাহলে সেখান থেকে অনেক ট্রাফিক পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে কম সাইজের ভালমানের নিজস্ব ছবি আপলোড করার চেষ্টা করতে হবে। অন্যের ব্লগে ছবি ব্যবহার করলেও নরমালি কোন সমস্যা হয় না। তবে কেউ যদি অভিযোগ আনে তাহলে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইন্টারনেট থেকে ছবি নিয়ে ব্যবহার করতে চাইলে অন্তত কিছুটা পরিবর্তন করে ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। তাহলে পাইরেসির অভিযোগে পড়ার সম্ভাবনা কম থাকবে।

 

আমাদের শেষ কথাঃ

পরিশেষে আমরা বলতে পারি, Proper সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ছাড়া কেউ সার্চ ইঞ্জিন (google Search) হতে ট্রাফিক পেতে সক্ষম হয়নি এবং ভবিষ্যতেও সম্ভব হবে না। আপনি যদি ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটে পর্যাপ্ত অর্গানিক ট্রাফিক নিয়ে আসতে চান তাহলে অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের সকল নিয়ম অনুসরণ করে ব্লগিং করতে হবে। তবে কেবল আপনার ব্লগের সফলতা খুব দ্রুত আপনার হাতে ধরা দেবে।

 

আরো জানুন…

নতুনদের জন্য Google Blogger নাকি WordPress, কোনটি উপযুক্ত

ব্যবহারের পূর্বে WordPress সম্পর্কে যা জানা প্রয়োজন

ইন্টারনেটের চমৎকার ইনকাম ব্লগিং করে আয় করা – অনলাইন ইনকাম

হুদহুদ কম্পিউটার

হুদহুদ কম্পিউটার - মাওনা চৌরাস্তা, শ্রীপুর, গাজীপুর। যোগাযোগঃ Email- info@hudhud-bd.com, Mobile-01632391209

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *